পারিবারিক রস গল্প পর্ব ১

এয়ারপোর্টে বেশিক্ষন দাড়িয়ে থাকতে হয়নাই। ট্রলি টেলে নিয়ে শাফায়াত জামিল সাদমান জামিল দুই মামা শেলী মামী নিপা মামী জয়ন্তি মামাতো বোন, সিবু চলে আসে।
নিপা মামীর বয়স ৪০। জয়ন্তির আম্মা। শেলী মামীর বয়স ৩৬ সিবুর আম্মা। সিবুর বয়স ১০.
শাফায়াত মামা একজন ইউনিভার্সিটির শিক্ষক। সাদমান মামা আইটি প্রফেশনাল।

জয়ন্তি আর ৫দিন পর ১৯ হবে। উঠতি বয়সের বিদেশি কালচারের বড় হওয়া মেয়ে। একটা টিশার্ট গায়ে জিন্স পরা মেয়ে। মায়ের মত বড় বড় দুধ গুলি খাড়া খাড়া। আমার পাশে এসেই ভাইয়া বলে জড়িয়ে ধরে। আমার অসস্তিতি লাগলেও ভাল লেগেছিল।

নিপা মামী খুব হাই ষ্টান্ডার্ড ভাবের মানুষ। কথা বলার ভংগিমা এবং ষ্টাইল উন্নত মানের আমার ভয় করে কথা বলতে কিন্তু শেলী মামী নিপা মামীর চেয়ে বেশি শিক্ষীত আমোদপ্রেমি মানুষ। সারাক্ষন আনন্দ ফুর্তি ষ্টাইল করে থাকে। নিপা মামী আস্তে করে আমাকে জিজ্ঞেস করে, অপু কেমন আছ তুমি
কিন্তু শেলী মামী আমার বুকে থাপ্পড় দিয়ে বলে, কি খবর আমাদের হিরু। কেমন আছ। যতবার আসি ততবার দেখি তুমি সুপুরুষ হয়ে উঠছ। কেমন চলছে দিনকাল।

খালা পাশে এসে বলে ভাবী, শুধু কি তুমি নিজেই সুন্দর হবে। আমাদের অপুও তোমার মতই। চল বাসায় যাই।
আমাদের বিল্ডিংয়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। সবাই খুশি। পরিবারের সবাই আজ এক সাথে। আমি আর দাড়োয়ান রমিজ হলাম বাহির থেকে লাগবে তা নিয়ে আসা।

মামা দুইটা গাড়ি বাড়া করে নিয়েছে এক মাসের জন্য।মাঝে মাঝে আমি চালাই আর মামারা নিজেই চালায়।

জয়ন্তির জন্মদিন খুব ধুমধাম করে আমরা পালন করেছি গতকাল। প্রচুর আত্বীয় স্বজন এসেছিল। ঘুম থেকে উঠে আমি আর সিবু পানির হস নিয়ে গাড়ি ধুতে লেগে যাই। জয়ন্তী কিছুক্ষণ পর আমাদের সাথে যোগ দেয়। কড়া রৌদ্রে গাড়ি ধোয়ার একটা মজা আছে। জয়ন্তী সাদা একটা টিশার্ট পার লাল ট্রাউজার পরে হস হাতে নিয়ে গাড়িতে পানি স্প্রে করতে গিয়ে আমাকেও বিজিয়ে দেয় এবং মজা পায়। মজা পেয়ে আবার পানি দেয় তাই আমিও হস খেড়ে নিয়ে জয়ন্তীর গায়ে কিছু পানি স্প্রে করে দেই। এতে সাদা টিশার্ট বুকের কাছে পুরুটা ভিজে যাওয়ায় জয়ন্তীর ব্রাহীন বক্ষ যোগল দবদবে সাদা আমার সামনে ভেসে ঊঠে। আমি হা করে চেয়ে থাকি। জয়ন্তীর দুধের বোটার লালচে কালচে পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। আমি জয়ন্তীকে সরি বলে ক্ষমা চাই।

জয়ন্তী নিজের বুকের দিকে চেয়ে বলে, ইচ্ছা করে দিয়েছ এখানে। তাই না? You like it ভাইয়া।

আমি লজ্জা পেয়ে মুখ নিচের দিকে নামিয়ে নেই।
জয়ন্তী আমার কাছে এসে আবার পানি স্প্রে করে সারা শরির ভিজিয়ে দিয়ে বলে, It’s ok. জয়ন্তী নিজেই নিজের শরিরে পানি স্প্রে করে ভিজিয়ে বলে, এখন ভাল করে দেখতে পার ভাইয়া। আই ডোন্ট মাইন্ড।
আমি পাশে রাখা একটা কাপড় এনে জয়ন্তীকে দিয়ে বলি, ওটা পেছিয়ে ভেতরে গিয়ে চেঞ্জ করে আস।

ভাইয়া এত লজ্জা পাচ্ছ কেন? নিজের বুকে হাত দিয়ে উপরে তুলে বলে, দেখতে কি খারাপ আমি।

আমি আর এখানে না থাকার সিদ্ধান্ত নেই তাই উপরে চলে যাই। জয়ন্তীও আমার পিছন পিছন চলে আসে। আমি আমার রুমে গিয়ে আর একটা ট্রাউজার নিয়ে বাথরুমে যাব দেখি জয়ন্তী আমার পাশে দাড়ানো। মহা বিপদ শেলী মামী আমাদের ঘরে আম্মার সাথে কথা বলছে।

জয়ন্তী কোন কথা না বলে খপ করে আমার সোনায় হাত দিয়ে ধরে হাটু গেড়ে আমার সামনে বসে যায় আর বলে, ভাইয়া আমি তোমায় গরম করে দিয়েছি। ইউ ডিজার্ভ সাম অষ্ট্রেলিয়ান ট্রিট। আমার দরজা অর্ধেক খুলা। সেইদিকে জয়ন্তীর খেয়াল নাই। আমি একটু সড়ে দাড়িয়ে আলমারির পাশে চলে যাই। জয়ন্তী আমার সোনা মুখে নিয়ে ব্লোজব শুরু করে। এত ছোট মেয়ে এত সুন্দর করে কর্তে পারে কল্পনাও করা যায়না। খালা আর আপুর চেয়ে হাজার গুন আনন্দের। মন মাতানো খেলা। দুই হাত দিয়ে কচলিয়ে কচলিয়ে মুখে নিয়ে ব্লোজব একজন দক্ষ কারিগর বলেই মনে হচ্ছে। আমার একবার মনে হল কেউ একজন দরজার পাশ দিয়ে যাচ্ছে। জয়ন্তীর এই মহা সুখের খেলায় আমি পরাভূত হয়ে যাই।খল খল করে জয়ন্তীর মুখে মাল ঢেলে দেই। জয়ন্তী যেন মিষ্টির সিড়া মনে করে গিলে গিলে জিভ দিয়ে আমায় পরিষ্কার করে দিয়ে বলে, হ্যাপি ভাইয়া। শুশু করে ঘর থেকে বাহির হয়ে চলে যায়।

আমি টয়লেটে গিয়ে পরিষ্কার করে টয়লেট থেকে বাহির হয়ে দেকি শেলী মামী আমার রুমে দাড়িয়ে আছে।
আমি খালি গায়ে শুধু একটা ট্রাউজার পরা। মামী আমার পাশে এসে বলে, জয়ন্তী এখানে কেন এসেছিল অপু?
আমি আমতা আমতা করে বলি, না একসাথে আমরা গাড়ি পরিষ্কার করেছিলাম তাই ভিজে গেছি। কাপড় চেইঞ্জ করতে এসেছিল।

কি করেছিলে আমি দেখছি। অন্তত দরজাটাতো বন্ধ করা দরকার ছিল তাই না? যদি তোর আম্মু হঠাৎ ঘরে চলে আসতো তখন কি হত?

সরি মামী, ভুল হয়ে গেছে। জয়ন্তী আমার পেছন পেছন আমার রুমে চলে আসবে বুঝতে পারিনাই। আমি এমন চিন্তাও করিনাই জয়ন্তীকে নিয়ে।

আমিতো দেখলাম তুই বাধাও দেস নাই। হা করে দাড়িয়ে ছিলে। জয়ন্তীকে নিয়ে বিপদে আছি আমরা। অল্প বয়সে অনেক পেকে গেছে। আমি কাউকে কিছু বলবোনা। মনে রাখবি জয়ন্তী মাত্র ১৯ বছর বয়স। এই বয়সে এইগুলি করবেই।৷

মামী একটা মুচকি হাসি দিয়ে আমার বুকে হাত দিয়ে ঘষে বলে, তোর মত হিরু পেলে মেয়েরা পাগল হবেই। যা করেছিস এর চেয়ে বেশি যেন না হয়।

মামী তুমি জয়ন্তীকে বলে দিও যেন আর সামনে না আগায়। আমার ভুল হয়েছে।

আমি বললেই জয়ন্তী শুনবেনা কারন জয়ন্তী এখন তোর কাছে পাওনা আছে। আবার আসবে পাওনা আদায় করতে।

মামী তাহলে আমি কি করবো?

আমি কি জানি তুই কি করবি বলে মামী রুম থেকে চলে যায়। আমি ভয়ে আছি।

খালা আর শেলী ছাদে হাটাহাটি করছে আমি তা জানিনা। ছাদে গিয়েছিলাম সিগারেট খাব একটা।

মামী আমাকে দেখেই বলে, ছাদে কি অপু।
খালা হেসে বলে ভাবী অপু সিগারেট খায় ছাদে। দেখ আমাদের দেখে মনটা খারাপ হয়ে গেছে।

অপু সিগারেট খাছ নাকি। কই কোন সময় গন্ধ পেলাম না তো। অসুবিধা নাই খাইতে পারিস। আই ডোন্ট মাইন্ড।
খালা বলে ভাবী রুবিনা বলছিল ঝালমুড়ি বানাবে আমি গিয়ে রুবিনাকেও নিয়ে আসি ঝালমুড়ি সহ বলে খালা চলে যায়।

মামী আমার কাছে এসে বলে, মেয়েদের সাথে যা করিস তা তোর খালার কাছে আসে কি করে অপু?

কি করি মামী?

কি কি পছন্দ করিস। সব নাকি কোন মেয়ে তোর খালাকে বলেছে। এত পেকে গেছিস তুই।

আমি কি করে জানি মামী। কি সব খালা বলেছে তোমাকে। তোর শাস্তি আছে। সবাইকে বলতে হবে। জয়ন্তী কি আর আসছিল?

না মামী আর আসে নাই।

আমি সবাইকে বলে দিব ভাবছি।

প্লিজ মামী তুমি আমায় শাসন করেছ। আমি আর জয়ন্তীর কাছেও যাব না।
দেখা যাবে তুই করিস। জয়ন্তী বাচ্চা মেয়ে। তোর বয়সের কাউকে খোজে নিলেই হয়। প্রেম করিস না কারো সাথে।

না মামী,

প্রেম ছাড়াই এইসব করে বেড়াস। এখনকার মেয়েরা এত চালু হয়ে গেছে।

মামীর কথা শুনে আমি কিছুটা সাহস পাই তাই বলি, এখন বিদেশকেও হার মানায় আমদের দেশের মেয়েরা।

তাই নাকি। তোর মত পুলা পাইলে তো সবাই করতে চাইবেই। তুই এত হ্যান্ডসাম তবুও প্রেম করিস না কেন?

ফ্রিতে পাইলে ফ্রেম করে বন্ধি হওয়ার কি দরকার। মামী যেহেতু এই লাইনে কথা বলতে চায় তাহলে আমিও জড়তা কমিয়ে ফ্রি হয়ে যাই।

এত চালু মাল তুই অপু। ভাবতেও পারিনাই। ফ্রিতে কি কারো বউ না সিংগেল মেয়ে।

বউ হলে খারাপ কি যদি সুন্দরী হয় আর এক্সপার্ট হয়। ঝামেলা কম।

বিয়াদব ছেলেতো তুই। অন্যের বউয়ের সাথে করিস।

কেন অসুবিধা কি? অনেক স্বামী আছে তাদেত চাহিদা মত দেয় না সেটা আমি দেই। আমার মনে পরে গেছে খালা বলেছিল, মামী পুটকি মারা খেতে ভালবাসে। আমি ভাবলাম মামী যেহেতু কথা বলছেই আমিও সেইদিকে নিয়ে যাই। তাই বলে দিলাম।
স্বামীরা দেয়না মানে।

আমি আর বলতে পারবোনা মামী। লজ্জার কথা।

বলতে হবে। আমার কাছে যে কথা লুকিয়ে আছে সেটা সবাই জেনে যাবে।
ঠিক আছে বলছি। আমি তোমার পেছনে দাঁড়িয়ে বলবো। সামনে লজ্জা করে। আমি মামীর সামনে গিয়ে বলি, অনেক মেয়েরা এনাল পছন্দ করে। আমিও করি। এমন কিছু।

আমার বয়সের মেয়ের সাথে করেছিস কখনো?

না সেই ভাগ্য হয় নাই। বাদ দাও মামী এইসব কথা আমাদের বলা উচিত না। আমাদের সম্পর্ক আবার নষ্ট হয়ে যাবে।
সম্পর্ক নষ্ট হবে কেন?

আমাদের উচিত না। তুমি আমার মামী।
মামী না হলে ট্রাই মারতে তাই না?
আমার মনে হয় মামী আমি তুমিই ট্রাই মারতে। তুমিই বলছো আমি হ্যান্ডসাম।

আমি কি কম সুন্দরী নাকি। বহু পুলাপান ঘুরঘুর করে।

তুমিতো আগুন মামী। ঘুরঘুর করবেই।
খালা চলে আসে ঝালমুড়ি নিয়ে।এসেই বলে কি কথা বলছো ভাবী।

তোর ভাগিনা অনেক শেয়ান মাল।

2 কি ব্যাপার ভাবী তুমি কি মনে করতে আমার ভাগিনা বোকা ছেলে? তোমার মত এত চালু মেয়ে লোকের আগেই বোঝা উচিত ছিল ভাবী।

ঠিক বলেছিস। আগে ভেবে ছিলাম ছোট মানুষ আর এখন দেখি আমাদের ভাগিনা বড়দের নিয়ে খেলে।

খালা আমার দিকে চেয়ে বলে, কিরে অপু তুই আবার কি খেলা শুরু করে দিলে তোর মামীর সাথে?

কি যে বল খালা, মামী কি ক্রিকেট খেলোয়াড় নাকি যে আমি খেলতে যাব। মামী ইয়ার্কি করছে।

পাশের রাস্তায় কেন যেন চিল্লাচিল্লি করছে তাই খালা দেখতে গেলে মামী আমার একটু কাছে এসে বলে ভাগিনা আমি ক্রিকেট খেলোয়াড় না আমি কুস্তি খেলি।

মামীর কথা আমি বুঝতে পেরেই বলি, আমারো খুব পছন্দের খেলা কুস্তি।

What did you think of this story??

Comments

Scroll To Top