আমার নাম অদিতী এটা আমার বাস্তব গল্প | হঠাৎ একদিন মেসো মশাইয়ের শরীর খারাপ হয় ওনাকে হসপিটাল ভর্তি করতে হয় যার কারণে মা আর আমি মাসির বাড়ি ছিলাম সাধারণতঃ মা আর মাসি হসপিটাল যেতো আমি আর দাদা ( মাসির ছেলে) , দুজনেই বাড়িতে থাকতাম দাদা কলেজে পড়তো|
একদিন বাড়িতে বেলার দিকে খেলছিলাম হঠাৎ বাথরুম পেতে দৌড়ে যাই ও সবে হালকা ঢুকতে যাবো দেখি দাদা ভিতরে প্যান্ট খুলে দাঁড়িয়ে নুনুটা নাড়াছে খুব বড় নুনুটা লোম ভর্তি তখন কিছু বুঝতাম না তাই ভিতরে ঢুকে যাই দাদা তখন ও প্যান্ট পড়েনি জিজ্ঞাসা করলাম কি করছো দাদা বললো হিসু করতে এসেছে, তখন আমি কিছু জিজ্ঞাসা আর না করে প্যান্ট খুলে হিসু করতে বসে যাই কারণ আমার তো খুব জোরে হিসু পেয়েছিলো | তখন দেখি দাদা আমার হিসু করার দিকে তাকিয়ে আছে আর নুনুটা জোরে নাড়াছে|
দাদা কে জিজ্ঞেস করলাম কি করছো দাদা , দাদা বললো নুনুটা চুলকাছে তাই আমিও আর কিছু না বলে চলে আসি |
যেহেতু বাড়িতে কেউ ছিলোনা তাই দাদা স্নান করার সময়ে বললো যে সেই তো কেউ নেই একসাথে স্নান করে নিলে তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে তাই দাদা বাথরুমে ঢুকলো তারপর আমি ঢুকলাম প্রথমে আমাকে স্নান করিয়ে দেবে বলে আমি তখন এত বুঝতাম না তাই জামা প্যান্ট খুলে দিলাম, দাদা তাকিয়ে আছে তারপর দাদা বললো আমাকে সাবান মাখিয়ে দেবে সেই মতো দাদা সাবান মাখিয়ে দিচ্ছিল আর জল লেগে দাদার প্যান্ট ভিজে যাচ্ছিলো তাই দাদা বললো সেই তো দাদা ও স্নান করবে তাই সব খুলেই দেই, সব খুলতে প্রথমে দেখলাম দাদার নুনুটা ছোটো ছিল হঠাৎ দেখি আসতে আসতে বড় হয়ে গেলো দাদা কে জিজ্ঞেস করলাম কি হল দাদা এমন হল দাদা বললো ও কিছুনা বলে দাদা সাবান মাখিয়ে দিতে দিতে বললো তুই হিসু করিস ভালো করে ধূস না তাই দেখা দেখি সাবান মাখিয়ে দি আমিও কিছু আর ভাবলাম না কারণ দাদা হয়|
তারপর দাদা ওখানে সাবান মাখিয়ে দিচ্ছে আর দেখলাম দাদার নুনুটা আরো বড়ো হয়ে গেলো আর দাদা সাবান মাখিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে একটা আঙুল আমার নুনুটার ভিতরে ঢুকআছে আর বের করছে দাদা কে বললাম হালকা ব্যথা লাগছে দাদা বললো ভালো করে ধুয়ে দিচ্ছে তাই এমন হচ্ছে তারপর দেখলাম দাদার নুনুটার মাথার ওপর থেকে কালো চামড়া টা শোরে গিয়ে গোলাপি রঙের মাথা বেড়ালো|
দাদা কে জিজ্ঞাসা করলাম দাদা তোমার ওটা ওরকম কেনো হচ্ছে দাদা বললো ওটা চুলকাছে তাই তারপর দাদা বললো ওর মধ্যে নাকি সাদা ক্রিম থাকে ভালো বললো দেখবে, আমিও কৌতুহল বসে হে বলে দিয়ে ছিলাম তখন দাদা ওনার নুনুটা আমার সামনে নাড়া ছিল প্রায় পাঁচ মিনিট পর দাদা বললো ক্রিম টা নাকি বেরোবে তখন বললো নাকি খুব ভালো খেতে বলে দাদা আমাকে মুখ খুলতে বললো বলে দাদা ওনার নুনুটা সাথে সাথে আমার মুখে ঢুকিয়ে দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকল তার কিছু পরেই দাদার নুনুটা সাদা ক্রিম আমার মুখের মধ্যে ফেলে দিলো এবং দাদা ওটা খেয়ে নিতে বললো কিছু টা|
খেতে পেরেছিলাম হালকা একটু ঝাজালো আঁশটে মত কিন্তু খেতে পেরেছি তারপর দুজনে স্নান করে খেয়ে নিয়ে ছিলাম তারপর বিকালে মা আর মাসি চলে এসেছিল গল্প আরে করে রাত হয়ে যেতে খেয়ে মা আর মাসি একসাথে সবে বলে গেলো আর দাদা বোনকে একসাথে ঘুমাতে বলে গেলো|
ঘুমিয়ে পড়েছিলাম ঠান্ডা ছিল হালকা তাই গায়ে চাদর চাপা দিয়ে দুজন ঘুমছিলাম হঠাৎ মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে যেতে দেখি দাদা চাদর এর মধ্যে কিছু একটা করছে দাদা কে ডাকতে দাদা বললো ওর নাকি নুনুটা চুলকাছে খুব তাই নাকি ঘুমাতে পারছেনা তখন জিজ্ঞেস করলাম কি হবে তাহলে মাসি কে ডেকে আনবে নাকি দাদা, তখন দাদা বলে না না আমাদের দাদা বনের কথা বড়ো দের বলতে হবে না সেই মতো আমিও কিছু বলিনি তখন দাদা আমাকে বললো স্নান করার সময়ে যেমন ক্রিম বেরোলো ওরকম বেরোবে আমি বললাম তাহলে কি হবে দাদা, তখন দাদা বলে স্নান করার সময়ে যেমন আমার মুখে ক্রিম দিয়েছিলো দিলে নাকি ঠিক হয়ে যাবে|
এবার যেহেতু তখন করেছিলো তাই কিছু আর বলিনি দাদা দেখি প্যান্ট খুলে নুনুটা আমরা সামনে নাড়াচাড়া করতে থাকলো আর আমি দেখছি অনেকক্ষণ পর দাদা বলে হচ্ছেনা এরকম ভাবে|
তারপর আমি বলি কি করবে দাদা তাহলে এবার দাদা তারপর বলে যদি ওর নুনুটা আমার নুনু টায় স্পর্শ করায় তাহলে নাকি তাড়াতাড়ি ক্রিম বেরিয়ে যাবে আর চুলকানি থেমে যাবে, যেহেতু আমি ছোট্ট ছিলাম এইসব বুঝতাম না আর দাদা স্নান ও করিয়ে দিয়েছিলো তাই লজ্জা জিনিস তেমন ছিলোনা খুব একটা তাই দাদা কে বললাম ঠিক আছে |
বলার পর দেখি দাদা আমাকে দাঁড় করিয়ে আমার গেঞ্জি আর প্যান্ট টা খুলে দিলো তারপর দেখি দাদা আমার ছোট্ট প্যান্ট টা নিয়ে সুখছে আমি বলি দাদা কি করছো বলে সাবান এর গন্ধ সুখছি|
তারপর দাদা কেনো জানিনা আমার ঠোঁটে চুমু খেলো আর নিজের জিভ টা আমার মুখের মধ্যে দিচ্ছে আর চুষে চলেছে আর সেই সাথে আমার বুকের কাছে টিপছে তারপর দাদা দাদা কে বললাম তাড়াতাড়ি ওর নুনুটা আমার নুনুতে স্পর্শ করিয়ে নিতে যাতে ওর চুলকানি থেমে যায় আর ঘুমিয়ে পড়া হবে সেই বলতে দাদা বললো একটু অপেক্ষা কর না সময় তো লাগবে বলে দাদা আমাকে শুয়ে দিয়ে আমার নুনুর কাছে হাত দিয়ে আসতে আসতে ফাঁকা করছে আর দেখছে তারপর ওনার নুনুটা আসতে আসতে আমার নুনুর চার পাশে ঘোষছে তারপর মুখ থেকে থুতু বের করে ওনার নুনুর মাথায় লাগিয়ে নিয়ে হঠাৎ করেই আমার নুনুর মধ্যে ঢুকিয়ে দিতেই আমি চেঁচিয়ে উঠতে যাচ্ছিলাম দাদা ওনার নুনুর গন্ধ মাখা জাঙ্গিয়া টা আমার মুখের মধ্যে চেপে ধরে ও সেই সাথে আমি কেঁদে ফেলি একটু আর জ্ঞান হারায়|
তার কিছু ক্ষণ পর জ্ঞান ফিরতে দেখি দাদা মুখ থেকে জাঙ্গিয়া টা সরিয়ে নিয়েছে আর আসতে আসতে ওনার নুনুটা আমার নুনুর মধ্যে ঢোকাচ্ছে আর বের করছে আর তাতে রক্ত লেগে ভর্তি দাদা কে জিজ্ঞেস করতে বললো প্রথম নুনু স্পর্শ করালে হয় এমনে কিছু হবেনা, বলে দাদা ওরকম করতে থাকল আর আমার ব্যথা লাগছিল খুব তারপর একটু ব্যথা কমে গিয়েছিলো|
তারপর দাদা প্রায় পনেরো মিনিট এভাবেই করছিলো তারপর দাদা হঠাৎ জোরে জোরে করতে থাকলো আর ওনার নুনুটা একটু কেঁপে কেঁপে উঠে সব ক্রিম আমার নুনুর মধ্যে ঢেলে দিলো দিয়ে দাদা আমার গায়ের ওপর শুয়ে পড়লো ওই ভাবেই কিছুক্ষণ পর দাদা ওনার নুনুটা বের করে দেখে ওই ক্রিম আমার নুনু থেকে গোরাচ্ছে কেনো জানিনা দাদা সেটা দেখে খুবই খুশি হল তারপর দাদা ওনার নুনুটা আমার মুখের সামনে দিয়ে বললো বাকি ক্রিম টা খেয়ে নিতে সেই মতো করলাম আর তারপর দাদা আমাকে জামা প্যান্ট পড়তে দেয়নি নিজেও পড়েনি চাদর এর তোলা ওই ভাবে আমাকে জড়িয়ে ওনার নুনুটা আমার নুনুর মধ্যে ঢুকিয়ে ঘুমিয়ে পড়লো |